যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৬: কোর্স তালিকা, আবেদনের নিয়ম ও ভাতা-সুবিধার পূর্ণাঙ্গ গাইড
সর্বশেষ হালনাগাদ: ৭ জুলাই ২০২৬ | তথ্যসূত্র: যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি
পড়াশোনা শেষ করার পর কর্মসংস্থানের প্রস্তুতি নেওয়া দেশের অনেক তরুণ-তরুণীর জন্যই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারিভাবে দক্ষতা উন্নয়নের অন্যতম নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হলো যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালেও দেশের ৬৪ জেলায় বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বেশিরভাগ কোর্সে নামমাত্র ফি নেওয়া হয়, আর নির্দিষ্ট কিছু প্রকল্পভিত্তিক কোর্স সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পরিচালিত হয় যেখানে শর্তসাপেক্ষে প্রশিক্ষণার্থীদের দৈনিক ভাতাও দেওয়া হয়।
এই লেখায় ২০২৬ সালের যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ ভর্তি বিজ্ঞপ্তির যাবতীয় খুঁটিনাটি কোন কোন কোর্স চালু আছে, আবেদনের যোগ্যতা কী, অনলাইনে কীভাবে আবেদন করবেন, কত টাকা ভাতা পাবেন সবকিছু গুছিয়ে তুলে ধরা হলো।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর আসলে কী কাজ করে?
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর (DYD) ১৯৭৮ সাল থেকে দেশের বেকার যুবক-যুবনারীদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করে আসছে। এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে হলেও দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় এর কার্যালয় রয়েছে। মূলত ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী কর্মপ্রত্যাশী তরুণ-তরুণীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের উপযোগী করে গড়ে তোলাই এই অধিদপ্তরের মূল কাজ। শুধু প্রশিক্ষণ দিয়েই দায়িত্ব শেষ করে না প্রশিক্ষণ শেষে আত্মকর্মসংস্থানে আগ্রহীদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ সুবিধাও রয়েছে।
২০২৬ সালের ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কী আছে?
এ বছরের বিজ্ঞপ্তির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হলো আবেদন প্রক্রিয়া। ২০২৬-২০২৭ অর্থবছর থেকে সব ট্রেডে ভর্তির জন্য নতুন অনলাইন পোর্টাল www.ytms.gov.bd (ইয়ুথ ট্রেনিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) চালু করা হয়েছে। অর্থাৎ আগের মতো শুধু কাগজে ফরম পূরণ করে অফিসে দৌড়াদৌড়ির ঝামেলা অনেকটাই কমে এসেছে। ঘরে বসে মোবাইল বা কম্পিউটার থেকেই এখন আবেদন করা যাচ্ছে।
এছাড়া যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.dyd.gov.bd তে জেলাভিত্তিক ভর্তি বিজ্ঞপ্তি, কোর্সের তালিকা ও আবেদন ফরম পাওয়া যায়। প্রতিটি জেলার উপপরিচালকের কার্যালয় নিজ নিজ জেলার জন্য আলাদা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে, তাই নিজের জেলার নোটিশ বোর্ডে চোখ রাখাটা জরুরি।
প্রশিক্ষণের ধরন: প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ মূলত দুই ধরনের।
প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ: এগুলো জেলা কার্যালয়ে অনাবাসিক এবং যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আবাসিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়। কোর্সের মেয়াদ সাধারণত ১ মাস থেকে ৬ মাস পর্যন্ত। কম্পিউটার, ইলেকট্রিক্যাল, পোশাক তৈরির মতো কারিগরি কোর্সগুলো এই ক্যাটাগরিতে পড়ে।
অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ: উপজেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। মেয়াদ তুলনামূলক কম ৭ দিন থেকে ২১ দিন। গবাদি পশু পালন, হাঁস-মুরগি পালন, মৎস্য চাষের মতো কৃষিভিত্তিক প্রশিক্ষণগুলো সাধারণত এভাবেই পরিচালিত হয়।
২০২৬ সালে কোন কোন কোর্সে ভর্তি চলছে?
জেলাভেদে কোর্সের তালিকায় কিছুটা পার্থক্য থাকলেও সাধারণভাবে যেসব ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় তার মধ্যে জনপ্রিয়গুলো হলো:
- কম্পিউটার বেসিক অ্যান্ড আইসিটি অ্যাপ্লিকেশন
- প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইন
- ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং
- ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড হাউজ ওয়্যারিং
- রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং
- পোশাক তৈরি (দর্জি বিজ্ঞান)
- মৎস্য চাষ
- গবাদি পশু, হাঁস-মুরগি পালন ও প্রাথমিক চিকিৎসা
- মোবাইল সার্ভিসিং ও ইলেকট্রনিক্স
কোর্সভেদে ফি ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ, আবার কিছু প্রকল্পভিত্তিক কোর্স সম্পূর্ণ ফ্রি। শিক্ষাগত যোগ্যতাও কোর্সভেদে ভিন্ন কোনোটিতে অষ্টম শ্রেণি পাস হলেই চলে, আবার কোনোটিতে এইচএসসি বা স্নাতক চাওয়া হয়।
ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ ২০২৬: বিনামূল্যে কোর্স ও দৈনিক ২০০ টাকা যাতায়াত ভাতা
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের “৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি (১ম সংশোধিত)” প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সালে দেশের সব জেলায় ব্যাচভিত্তিক ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ পরিচালিত হচ্ছে। অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী এই কোর্সের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো এক নজরে দেখে নেওয়া যাক:
- মেয়াদ: ৩ মাস, মোট ৬০০ ঘণ্টা (দৈনিক ৮ ঘণ্টা ক্লাস)
- কোর্স ফি: সম্পূর্ণ বিনামূল্যে, ভর্তিতে কোনো টাকা লাগে না
- ভাতা: প্রশিক্ষণে উপস্থিত থাকা সাপেক্ষে দৈনিক ২০০ টাকা যাতায়াত ভাতা (বিজ্ঞপ্তির শর্ত অনুযায়ী)
- খাবার: প্রশিক্ষণ চলাকালীন সকালের নাশতা, দুপুরের খাবার ও বিকেলের নাশতা ফ্রি
- যোগ্যতা: ন্যূনতম এইচএসসি বা সমমান পাস, বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছর
- সনদ: কোর্স সফলভাবে শেষ করলে সরকারি সনদপত্র
প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের সময় যাদের কম্পিউটার ও আইসিটির বেসিক ধারণা এবং ইংরেজিতে দক্ষতা আছে, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। আবেদন যাচাইয়ের পর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্ত প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন করা হয় এবং পরীক্ষার তারিখ-সময় এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়। এই কোর্সটি ব্যাচভিত্তিক এক ব্যাচের আবেদন শেষ হলে কিছুদিন পরপরই নতুন ব্যাচের বিজ্ঞপ্তি আসে। তাই কোনো ব্যাচ মিস করলে হতাশ হওয়ার কিছু নেই, নিয়মিত dyd.gov.bd এর নোটিশ বোর্ডে চোখ রাখুন।
জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের (NIYD) প্রশিক্ষণ কোর্স
সাভারে অবস্থিত জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট সারা বছরই ধাপে ধাপে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্সের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত এপ্রিল, জুন ও জুলাই মাসে শুরু হওয়া একাধিক ব্যাচে ৩ থেকে ৫টি করে কোর্সের জন্য অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ ৯ জুলাই ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া ৪টি প্রশিক্ষণ কোর্সের চূড়ান্ত মনোনীত ও অপেক্ষমাণ তালিকা ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে।
NIYD-এর কোর্সগুলোতে আবেদন করতে হয় niyd.gov.bd ওয়েবসাইটের নোটিশ সেকশনে দেওয়া অনলাইন লিংকের মাধ্যমে। মনোনীত প্রার্থীদের তালিকাও ওয়েবসাইটেই প্রকাশ করা হয়। যারা তুলনামূলক উন্নত মানের আবাসিক প্রশিক্ষণ খুঁজছেন, তাদের জন্য NIYD ভালো একটি বিকল্প। এখানে ডিপ্লোমা পর্যায়ের কোর্সও চালু রয়েছে।
অনলাইনে আবেদন করবেন যেভাবে
আবেদন প্রক্রিয়াটা এখন বেশ সহজ। ধাপগুলো এরকম:
১. প্রথমে www.ytms.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন (২০২৬-২৭ অর্থবছরের সব ট্রেডের আবেদন এখান থেকেই হবে)।
২. রেজিস্ট্রেশন করে নিজের নাম, জন্মতারিখ, এনআইডি বা জন্মনিবন্ধন নম্বর, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর দিয়ে প্রোফাইল তৈরি করুন।
৩. নিজের জেলা ও পছন্দের ট্রেড বেছে নিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করুন।
৪. আবেদন সফলভাবে জমা হলে আবেদনের কপি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে রাখুন পরে কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় এটি লাগবে।
৫. বাছাই পরীক্ষা বা সাক্ষাৎকারের তারিখ এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।
যারা অনলাইনে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না, তারা নিজ জেলার উপপরিচালকের কার্যালয় বা উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বিনামূল্যে আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে পারেন।
আবেদনের সাথে যেসব কাগজপত্র লাগবে
সাক্ষাৎকার বা ভর্তির সময় সাধারণত নিচের কাগজপত্রগুলো সঙ্গে রাখতে বলা হয়। আগে থেকে গুছিয়ে রাখলে শেষ মুহূর্তের ঝামেলা এড়ানো যায়:
- সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি
- জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদের ফটোকপি
- শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের সত্যায়িত কপি
- নাগরিকত্ব সনদ (ক্ষেত্রবিশেষে)
- অনলাইন আবেদনের প্রিন্ট কপি
আবেদন ফরমে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বা প্রশিক্ষণ নেওয়ার কারণ লিখতে বলা হয় এই ঘরটি গুরুত্ব দিয়ে পূরণ করুন। বাছাইয়ের সময় এটি বিবেচনায় নেওয়া হয়। যুব সংগঠনের সদস্য এবং যুবনারী প্রার্থীরা নির্বাচনে অগ্রাধিকার পান।
প্রশিক্ষণ শেষে ঋণ সুবিধা
প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পরেও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবা চালু থাকে সেটি হলো যুব ঋণ কর্মসূচি। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যুবক-যুবনারীরা আত্মকর্মসংস্থানমূলক প্রকল্প (যেমন ছোট খামার, দর্জির দোকান, কম্পিউটার সার্ভিস বা ফ্রিল্যান্সিং সেটআপ) শুরু করতে চাইলে অধিদপ্তরের নির্ধারিত নীতিমালা ও শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এই কর্মসূচির আওতায় ঋণের জন্য আবেদন করতে পারেন। ঋণের পরিমাণ, সুদের হার ও পরিশোধের শর্ত প্রকল্পভেদে ভিন্ন হয়, তাই আবেদনের আগে নিজ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে হালনাগাদ তথ্য জেনে নেওয়া উত্তম। ঋণ কার্যক্রমের ই-সার্ভিস অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটেও পাওয়া যায়।
আবেদনের আগে কয়েকটি জরুরি পরামর্শ
দীর্ঘদিন সরকারি ভর্তি ও প্রশিক্ষণ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে কয়েকটি বিষয় মনে করিয়ে দিই। প্রথমত, প্রতিটি জেলার বিজ্ঞপ্তিতে আসন সংখ্যা, কোর্স তালিকা ও আবেদনের শেষ তারিখ আলাদা হয় তাই সোশ্যাল মিডিয়ার কোনো পোস্টের ওপর নির্ভর না করে নিজের জেলার অফিসিয়াল নোটিশ যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিন।
দ্বিতীয়ত, শেষ তারিখের জন্য অপেক্ষা না করে হাতে সময় রেখে আবেদন সম্পন্ন করুন; শেষ দিনে সার্ভারে চাপ পড়লে আবেদন জমা দিতে সমস্যা হতে পারে।
তৃতীয়ত, মনে রাখবেন বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত নির্ধারিত ফি ছাড়া ভর্তি বা আবেদন প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত কোনো অর্থ লেনদেনের নিয়ম নেই; কেউ এমন প্রস্তাব দিলে সরাসরি নিজ জেলার উপপরিচালকের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন। আর সবশেষে, যে ট্রেডেই ভর্তি হন না কেন, নিজের এলাকার বাজার চাহিদা মাথায় রেখে কোর্স বাছাই করুন প্রশিক্ষণটা তখনই সবচেয়ে বেশি কাজে লাগবে।
শেষ কথা
সরকারি ব্যবস্থাপনায় হাতে-কলমে দক্ষতা শেখার সুযোগ হিসেবে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি দীর্ঘদিন ধরেই ভূমিকা রেখে আসছে কেউ শিখছেন ফ্রিল্যান্সিং, কেউ ইলেকট্রিক্যাল ওয়্যারিং, কেউবা মাছ চাষ। আপনার বয়স যদি ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হয় এবং নতুন দক্ষতা অর্জনে আগ্রহী হন, তাহলে dyd.gov.bd ও ytms.gov.bd ওয়েবসাইটে নিজের জেলার সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি দেখে, যোগ্যতা ও শর্তগুলো ভালোভাবে যাচাই করে পছন্দের কোর্সে আবেদন করতে পারেন। সঠিক ট্রেড বেছে নিয়ে মনোযোগ দিয়ে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করলে কর্মসংস্থান কিংবা আত্মকর্মসংস্থান দুই পথেই এটি কাজে লাগবে।
তথ্যসূত্র ও দাবিত্যাগ: এই আর্টিকেলের সকল তথ্য যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর (dyd.gov.bd), জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (niyd.gov.bd) এবং জেলা পর্যায়ের অফিসিয়াল ভর্তি বিজ্ঞপ্তি থেকে সংগ্রহ করে সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই ওয়েবসাইটটি কোনো সরকারি ওয়েবসাইট নয় এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত নয়। আবেদনের তারিখ, ফি, যোগ্যতা ও শর্তাবলি যেকোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে, তাই আবেদনের আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা নিজ জেলার যুব উন্নয়ন কার্যালয় থেকে সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি যাচাই করে নিন।