Skip to content
Bhata

Bangladesh Government Allowances (Bhata)

Bhata

Bangladesh Government Allowances (Bhata)

  • Home
  • Bhata
  • Boyosko Bhata
  • Bhata Apply
  • About Us
  • Contact Us
  • Privacy Policy
  • Home
  • Bhata
  • Boyosko Bhata
  • Bhata Apply
  • About Us
  • Contact Us
  • Privacy Policy
Close

Search

  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
Subscribe
Bhata

Bangladesh Government Allowances (Bhata)

Bhata

Bangladesh Government Allowances (Bhata)

  • Home
  • Bhata
  • Boyosko Bhata
  • Bhata Apply
  • About Us
  • Contact Us
  • Privacy Policy
  • Home
  • Bhata
  • Boyosko Bhata
  • Bhata Apply
  • About Us
  • Contact Us
  • Privacy Policy
Close

Search

  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
Subscribe
গ্রামীণ ডাক কর্মচারীদের বেতন ভাতা
Bhata

গ্রামীণ ডাক কর্মচারীদের বেতন ভাতা – সম্পূর্ণ তথ্য (২০২৬ আপডেট)

সামির চন্দ্র
By সামির চন্দ্র
April 4, 2026 6 Min Read

যেকোনো চাকরিতে ঢোকার আগে তার সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে জানা আমাদের মৌলিক অধিকার। গ্রামীণ ডাক কর্মচারীদের বেতন ভাতা নিয়ে ইন্টারনেটে সার্চ করলে আপনি হয়তো দেখবেন অনেকেই গ্রেড-২০ বা গ্রেড-১৬ এর বেতন স্কেলের কথা বলছেন (যেমন: ৮২৫০-২০০১০ টাকা)। কিন্তু এখানে একটি মস্ত বড় শুভঙ্করের ফাঁকি রয়েছে!

বাংলাদেশ ডাক বিভাগে মূলত দুই ধরনের কর্মী কাজ করেন—এক. বিভাগীয় (Regular) এবং দুই. অবিভাগীয় বা গ্রামীণ (Extra Departmental/ED)। বিভাগীয় কর্মীরা পুরোপুরি সরকারি স্কেলে বেতন পান। কিন্তু গ্রামীণ ডাক কর্মচারীরা কোনো ‘বেতন স্কেল’ পান না, তারা পান একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ‘সম্মানি’ (Honorarium)। এই পার্থক্যটি না বোঝার কারণেই অনেক চাকরিপ্রার্থী চরম ভুল করে বসেন। আমাদের এই আলোচনার মূল উদ্দেশ্য হলো আপনাকে সেই ভুল থেকে বাঁচানো ও এই চাকরির আসল রূপটি আপনার সামনে তুলে ধরা।

গ্রামীণ ডাক কর্মচারী কারা?

গ্রামীণ ডাক কর্মচারীদের সাধারণত “ইডি কর্মচারী” (Extra Departmental Employees) বলা হয়। মূলত গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে, যেখানে বড় ডাকঘর বা পোস্ট অফিস স্থাপন করা লাভজনক নয় বা সম্ভব নয় সেখানে চিঠিপত্র বিলি ও অন্যান্য ডাক সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য স্থানীয় মানুষদের এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

তাদের কাজের ধরন ও দায়িত্ব:

  • শাখা পোস্টমাস্টার (ED BPM): গ্রামীণ ডাকঘরের দায়িত্ব পালন করা, স্ট্যাম্প বিক্রি, মানি অর্ডার গ্রহণ ও রেজিস্ট্রি চিঠির হিসাব রাখা।
  • পিয়ন বা বিলিকারী (ED DA): ডাকঘর থেকে চিঠি, পার্সেল বা মানি অর্ডার সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট ঠিকানায় গ্রাহকের হাতে পৌঁছে দেওয়া।
  • রানার (ED MC): এক ডাকঘর থেকে অন্য ডাকঘরে ডাকের বস্তা বা চিঠিপত্র বহন করে নিয়ে যাওয়া।

এই কাজগুলো শুনতে পূর্ণকালীন (Full-time) মনে হলেও সরকারি নথিপত্রে তাদের কাজকে খণ্ডকালীন (Part-time) হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

গ্রামীণ ডাক কর্মচারীদের বেতন ভাতা কত?

সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা আপনি খাবেন যখন এদের বেতনের অংকটা শুনবেন। যেহেতু এদের কাজকে খণ্ডকালীন ধরা হয়, তাই তাদের জাতীয় বেতন স্কেলের আওতাভুক্ত করা হয়নি। ২০২৬ সালের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী তাদের মাসিক সম্মানি নিচে দেওয়া হলো:

  • গ্রামীণ পোস্টমাস্টার (ED BPM): মাসিক সম্মানি প্রায় ৪,৪৬৫ টাকা।
  • গ্রামীণ ডাক পিয়ন (ED DA): মাসিক সম্মানি প্রায় ৪,৩৬৫ টাকা।
  • গ্রামীণ রানার (ED MC): মাসিক সম্মানি প্রায় ৪,১৭৭ টাকা।

হ্যাঁ, আপনি ঠিকই পড়েছেন! মাসে মাত্র ৪ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকার মতো। এর বাইরে তাদের যাতায়াত ভাতা, চিকিৎসা ভাতা, বাড়ি ভাড়া বা অন্য কোনো উল্লেখযোগ্য সরকারি সুবিধা দেওয়া হয় না। এমনকি উৎসব ভাতা বা বৈশাখী ভাতা (বোনাস) নিয়েও তাদের চরম অনিশ্চয়তায় ভুগতে হয়।

বেতন কাঠামোর বিস্তারিত

মূল বেতন বনাম সম্মানি

একজন নিয়মিত সরকারি অফিস সহায়ক (পিয়ন) ২০ তম গ্রেডে চাকরি শুরু করলে তার মূল বেতন হয় ৮,২৫০ টাকা। এর সাথে বাড়ি ভাড়া (উপজেলা পর্যায়ে ৪৫%), চিকিৎসা ভাতা (১৫০০ টাকা) এবং টিফিন ভাতা মিলিয়ে তিনি মাসে প্রায় ১৩-১৪ হাজার টাকা পান। কিন্তু একজন গ্রামীণ ডাক পিয়ন সারা মাস চিঠি বিলি করে পান মাত্র ৪,৩৬৫ টাকা। এটিকে সরকার ‘বেতন’ বলতে নারাজ, তাদের ভাষায় এটি হলো ‘সম্মানি’ বা পকেট খরচ।

অতিরিক্ত সুবিধা

গ্রামীণ ডাক কর্মচারীদের তেমন কোনো অতিরিক্ত সুবিধা নেই। মাঝে মাঝে পারফরম্যান্সের ওপর কিছু কমিশন থাকতে পারে (যেমন সঞ্চয়পত্রের কাজ করলে), তবে তা অত্যন্ত নগণ্য। ডাক বিভাগের চাকরি হলেও তাদের সরকারি পেনশন সুবিধা নেই। চাকরি শেষে হয়তো থোক কিছু টাকা এককালীন দেওয়া হয়, যা বর্তমান বাজারের তুলনায় কিছুই না।

বাস্তব আয় কত হয়?

একজন গ্রামীণ ডাক কর্মচারী যদি শুধু এই আয়ের ওপর নির্ভরশীল হন, তবে তার পক্ষে সংসার চালানো অসম্ভব। অনেকেই এই সম্মানির টাকা দিয়ে যাতায়াত খরচ (সাইকেল বা মোটরসাইকেলের তেল খরচ) মেটাতেই হিমশিম খান। তাই বাস্তব আয় বলতে গেলে এই চাকরিতে সঞ্চয় করা তো দূরের কথা, টিকে থাকাই কঠিন।

সরকারি অন্যান্য চাকরির সাথে তুলনা (বিভাগীয় বনাম অবিভাগীয়)

চলুন দেখে নিই একই ডাক বিভাগে কাজ করা দুই ধরনের কর্মচারীর মধ্যে বৈষম্য কতটা প্রকট:

সুবিধা বিভাগীয় ডাক কর্মচারী (Regular) গ্রামীণ ডাক কর্মচারী (ED)
কাজের মর্যাদা পূর্ণকালীন সরকারি কর্মচারী (৩য়/৪র্থ শ্রেণি) খণ্ডকালীন/অবিভাগীয় কর্মচারী
মাসিক আয় ১৩,০০০ – ১৫,০০০+ টাকা (শুরুতে) ৪,১৭৭ – ৪,৪৬৫ টাকা (নির্দিষ্ট সম্মানি)
বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা প্রযোজ্য (বেতনের সাথে যুক্ত) নাই
পেনশন ও গ্রাচুইটি সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পূর্ণ সুবিধা পান নাই (সামান্য এককালীন থোক বরাদ্দ থাকতে পারে)
পদোন্নতি কাজের ভিত্তিতে প্রমোশন হয় কোনো প্রমোশন নেই বললেই চলে

কেন এই চাকরিতে বেতন এত কম?

অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, একই দেশে একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করে এত বৈষম্য কেন? এর পেছনের কারণ লুকিয়ে আছে ব্রিটিশ আমলের একটি পুরনো আইনে।

ব্রিটিশরা যখন ডাক ব্যবস্থা চালু করে, তখন গ্রামে খণ্ডকালীন ভিত্তিতে স্থানীয় অবস্থাপন্ন বা বেকার যুবকদের এই কাজের দায়িত্ব দিত। শর্ত ছিল, তারা দিনে মাত্র ২-৩ ঘণ্টা ডাকের কাজ করবে ও বাকি সময় নিজের কৃষি বা ব্যবসা করবে। তাই তাদের শুধু একটা সম্মানি দেওয়া হতো। দুঃখের বিষয় হলো, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও ডাক কর্মচারী বেতন স্কেল এর সেই পুরনো ‘খণ্ডকালীন’ নিয়মটি আজও রয়ে গেছে। অথচ বর্তমান সময়ে কাজের চাপ এতই বেড়েছে যে, এটি আর খণ্ডকালীন কাজ নেই, প্রায় সারা দিনই এতে ব্যয় হয়।

ভবিষ্যতে বেতন বাড়ার সম্ভাবনা

সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে (যেমন দৈনিক ইত্তেফাক, জাগো নিউজ) আমরা দেখেছি, গ্রামীণ ডাক কর্মচারীরা তাদের মানবেতর জীবনযাপন নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন। তারা সারাদেশে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।

তাদের মূল দাবিগুলো হলো:

  • ব্রিটিশ আমলের বৈষম্যমূলক নিয়ম বাতিল করে তাদের রাজস্বখাতে (Revenue) স্থানান্তর করা।
  • বর্তমান বাজার মূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ন্যূনতম ২০,০০০ টাকা পে-স্কেল নির্ধারণ করা।
  • পিয়ন ও রানারদের জন্য যাতায়াত ভাতা, সাইকেল এবং মানসম্মত পোশাক প্রদান করা।
  • উৎসব ভাতা ও বৈশাখী ভাতা নিশ্চিত করা।

সরকারি নীতিনির্ধারকরা বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা করছেন। তবে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে কবে নাগাদ এই গ্রামীণ ডাক কর্মচারী সুবিধা বৃদ্ধি পাবে, তার কোনো সুস্পষ্ট সময়সীমা এখনো জানা যায়নি।

এই চাকরি আপনার জন্য কতটা ভালো?

এখন প্রশ্ন হলো, এই চাকরিটি কি আপনার করা উচিত? এটি নির্ভর করে আপনার বর্তমান পরিস্থিতির ওপর।

যাদের জন্য ভালো: আপনি যদি গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা হন, আপনার নিজস্ব অন্য কোনো ব্যবসা বা আয়ের উৎস (যেমন কৃষিকাজ, মুদি দোকান) থাকে এবং আপনি শুধু বাড়তি কিছু আয়ের পাশাপাশি সামাজিকভাবে একটু পরিচিতি চান, তবে এটি করতে পারেন। ছাত্র অবস্থায় নিজ গ্রামে থেকে পড়াশোনার পাশাপাশি হাতখরচ তোলার জন্য এটি মন্দের ভালো হতে পারে।

যাদের জন্য খারাপ: আপনি যদি বিবাহিত হন এবং এটিকেই আপনার পেশা বা আয়ের একমাত্র উৎস বানাতে চান, তবে এই চাকরি আপনার জন্য মোটেও সুখকর হবে না। ৪-৫ হাজার টাকায় বর্তমান বাজারে একার খাবার খরচ জোগানোই কঠিন, পরিবার চালানো তো কল্পনার বাইরে।

বাস্তব অভিজ্ঞতা (একজন কর্মচারীর জীবনের গল্প)

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যশোরের একজন গ্রামীণ ডাক পিয়ন জানান, “আমি গত ১৫ বছর ধরে এই কাজ করছি। শুরুতে সম্মানি ছিল মাত্র কয়েকশ টাকা। এখন পাই ৪ হাজার ৩৬৫ টাকা। সকাল ৯টায় পোস্ট অফিসে যাই, ডাক বাছাই করি, তারপর মাইলের পর মাইল সাইকেল চালিয়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি চিঠি, মানি অর্ডার পৌঁছে দিই। বর্ষাকালে কাদা ভেঙে কাজ করতে হয়। অথচ মাস শেষে যে টাকা পাই, তা দিয়ে ছেলের স্কুলের বেতন আর এক সপ্তাহের বাজার খরচও হয় না। একই অফিসে কাজ করা বিভাগীয় স্টাফরা আমাদের চেয়ে তিন-চার গুণ বেশি টাকা পান। আমরা কি মানুষ নই?”

এই গল্পটি শুধু একজনের নয়, সারা দেশের প্রায় ২৫-৩০ হাজার গ্রামীণ ডাক কর্মচারীর প্রতিদিনের হাহাকার এটি।

সাধারণ ভুল ধারণা

  • ভুল ধারণা ১: গ্রামীণ ডাক কর্মচারীরা সরকারি কর্মকর্তা।
    বাস্তবতা: তারা সরকারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে কাজ করলেও রাজস্বখাতভুক্ত (Regular) সরকারি কর্মচারী নন, তারা খণ্ডকালীন বা অবিভাগীয় কর্মী।
  • ভুল ধারণা ২: কয়েক বছর চাকরি করলেই পার্মানেন্ট বা রাজস্বখাতে চলে যাওয়া যায়।
    বাস্তবতা: স্বয়ংক্রিয়ভাবে পার্মানেন্ট হওয়ার কোনো নিয়ম নেই। এর জন্য আলাদা সার্কুলার হলে পরীক্ষা দিয়ে টিকতে হয়। তবে কর্মরত থাকায় কিছু অগ্রাধিকার বা কোটা পাওয়া যেতে পারে।
  • ভুল ধারণা ৩: গ্রামীণ পোস্টমাস্টার অনেক ক্ষমতার অধিকারী।
    বাস্তবতা: নাম ‘পোস্টমাস্টার’ হলেও তিনি মূলত একজন ইডি এজেন্ট হিসেবেই গণ্য হন এবং তার আর্থিক ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত।

আবেদন করার আগে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

ডাক বিভাগের কোনো সার্কুলারে আবেদন করার আগে অবশ্যই খেয়াল করবেন পদটি “বিভাগীয়” নাকি “অবিভাগীয়/গ্রামীণ”। বিজ্ঞপ্তিতে যদি স্পষ্টভাবে কোনো পে-স্কেলের (যেমন গ্রেড-১৬ বা গ্রেড-২০) উল্লেখ না থাকে এবং “সম্মানি” শব্দটি লেখা থাকে, তবে বুঝে নেবেন এটি গ্রামীণ ইডি পদের সার্কুলার। আবেগের বশে আবেদন করে পরে চাকরিতে যোগ দিয়ে আফসোস করার চেয়ে, আগে থেকে সব জেনেশুনে সিদ্ধান্ত নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

FAQ (সাধারণ জিজ্ঞাসা)

১. গ্রামীণ ডাক কর্মচারীদের বর্তমান বেতন কত?
তারা নির্দিষ্ট কোনো বেতন স্কেল পান না। তবে মাসিক সম্মানি হিসেবে পদভেদে ৪,১৭৭ টাকা থেকে ৪,৪৬৫ টাকা পর্যন্ত পেয়ে থাকেন।

২. গ্রামীণ ডাক কর্মচারীরা কি ঈদ বোনাস পান?
তারা মূল সরকারি চাকরিজীবীদের মতো বেসিকের সমপরিমাণ উৎসব ভাতা পান না, তবে সরকার মাঝে মাঝে তাদের জন্য সামান্য কিছু থোক বরাদ্দ উৎসব ভাতা হিসেবে দিয়ে থাকে।

৩. ডাক বিভাগের চাকরি কি সরকারি?
হ্যাঁ, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। তবে এই প্রতিষ্ঠানের অধীনে “গ্রামীণ/অবিভাগীয়” কর্মীরা পূর্ণাঙ্গ সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

৪. ইডি (ED) ডাক কর্মচারী মানে কী?
ইডি (ED) এর পূর্ণরূপ হলো Extra Departmental বা অবিভাগীয়। এরা মূলত খণ্ডকালীন চুক্তিতে কাজ করেন।

৫. এই চাকরিতে প্রমোশন আছে কি?
না, সরাসরি প্রমোশন নেই। তবে বিভাগীয় পদের সার্কুলার হলে সেখানে পরীক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে তারা কিছু সুবিধা পান।

শেষকথা

গ্রামীণ ডাক কর্মচারীদের বেতন ভাতা নিয়ে এই দীর্ঘ আলোচনায় একটি বিষয় অত্যন্ত পরিষ্কার দেশ ডিজিটাল হলেও ডাক বিভাগের এই অবহেলিত কর্মীদের ভাগ্য এখনো অ্যানালগ যুগেই পড়ে আছে। মাত্র ৪-৫ হাজার টাকায় বর্তমান বাজারে বেঁচে থাকা এক প্রকার অমানবিক। আমরা আশা করি, সরকার খুব দ্রুত এই বৈষম্য দূর করে তাদের জন্য সম্মানজনক একটি বেতন স্কেল নির্ধারণ করবে।

আপনি যদি নতুন চাকরিপ্রার্থী হয়ে থাকেন তবে আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। আপনার পরিচিত কেউ যদি এই চাকরিতে আবেদন করার কথা ভাবে তবে তার সাথে আর্টিকেলটি শেয়ার করুন। ডাক বিভাগের অন্যান্য চাকরির আপডেট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন এবং কমেন্ট করে আপনার মতামত জানান।

সামির চন্দ্র
Author

সামির চন্দ্র

আমি বাংলাদেশের একটি ইউনিয়ন অফিসে চাকুরী করি এবং বিভন্ন সরকারী ভাতার আবেদন নিয়ে কাজ করি। আর এই কারনেই সাধারণ মানুষ আমাকে সরকারী ভাতা সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করে থাকে, আমি আমার সাধ্য মত উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করি। আমি এখন এই ব্লগে বিভন্ন সরকারী ভাতার তথ্য সম্পর্কে ব্লগ লিখি যাতে করে আমার এলাকার মানুষের পাশাপাশি সারা বাংলাদেশের মানুষই তথ্যগুলো সম্পর্কে জানতে পারে।

Follow Me
Other Articles
ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন ভাতা
Previous

ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন ভাতা ২০২৬ – বাস্তব চিত্র ও সম্পূর্ণ তথ্য

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • গ্রামীণ ডাক কর্মচারীদের বেতন ভাতা – সম্পূর্ণ তথ্য (২০২৬ আপডেট)
  • ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন ভাতা ২০২৬ – বাস্তব চিত্র ও সম্পূর্ণ তথ্য
  • শিশু ভাতা অনলাইন আবেদন – সম্পূর্ণ তথ্য (২০২৬)
  • বিদেশ ফেরত প্রবাসী ভাতা ২০২৬ (আপডেট তথ্য)
  • মাদ্রাসা শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা ২০২৬ (আপডেট তথ্য)
April 2026
S S M T W T F
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930  
« Mar    
Copyright 2026 — Bhata. All Rights Reserved.